অনেক “ইসলামসম্মত যৌনশিক্ষা” প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন। হ্যাঁ, ছিল না, মানুষ ফিতরাগত ভাবেই এগুলো শিখে থাকে, বুঝে থাকে। কিন্তু ফিতরাত যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখন কেউ দেখিয়ে না দিলে সে ধোঁয়াশার ভিতর হাবুডুবু খাবে, কখনও কুয়াশায় চিনে নেবে ভুল পথ। এজন্য বিবাহিত-বিবাহুদ্য সকলেই এখন ‘পথ চিনিয়ে দেবার’ মুখাপেক্ষী। এগুলো নিয়ে আর চুপ থাকার অবকাশ নেই। আপনি বাচ্চাকে না জানালেও পর্নো-ইন্ডাষ্ট্রি আর বখে যাওয়া বন্ধুরা থেমে নেই। আমরা মিলনের সঠিক ধারণা নিয়ে না লিখলেও পর্ন-মুভি-কলিকাতা হারবালেরা থেমে নেই। সুতরাং ‘হায়া’র সীমারেখায় আমাদেরকে কথা বলতে হবে, যেমনটি নবীজী সাঃ বলেছেন- ‘সত্য বলতে আল্লাহ লজ্জা পান না’।
চেম্বারে এক ঘন্টা নিয়ে এতকথা বুঝানোর ত সময় নেই। চেখলাম যৌনতা নিয়ে একটা কমপ্লিট ডকুমেন্টের বাংলাভাষায় বেশ অভাব, যেটা রুগীকে রেফার করা যায়। যে ক’টা আছে, সেই পশ্চিমা পুঁজিবাদী সমাজ-প্রভাবিত লেখক-গবেষকদের বিভ্রান্তিকর লেখা। সেই অভাব পূরণের ছোট একটি প্রচেষ্টা এই বই।
মিলনতত্ত্ব (শুধু বিবাহিত পুরুষের জন্য)
ড. শামসুল আরেফীন


Ahammad Ullah –
Very good book ever I read.